Skip to main content

All About proteins!

 

প্রোটিন: 

প্রোটিন বা আমিষ হলো অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি লম্বা একটা চেইন, যাতে অসংখ্য অ্যামিনো এসিড পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। আর এই কাজে দায়িত্ব পালন করে DNA। DNA তে বিদ্যমান জিনগুলি প্রোটিন তৈরির জন্য নির্দেশনা দেয়। 


প্রোটিনকে বলা হয় জীবনের ভাষা, কারণ এটি জীবের‌ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও সম্পাদনা করে থাকে। দেহের বিভিন্ন গঠনমূলক উপাদান, হরমোন, প্রতিরক্ষামূলক এন্টিবডি এবং বিভিন্ন উপাদান পরিবহনকারী হিসেবে কাজ করে এই প্রোটিন। আর এগুলোর সবকিছুই জীবের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। 


অ্যামিনো এসিড এর বিন্যাসের ভিন্নতার কারণে প্রতিটি প্রোটিনের প্রাথমিক গঠন একে অপর থেকে ভিন্ন হয়।  


অ্যামিনো এসিডের স্ট্রাকচারটা এক নজরে দেখে নিইঃ

অ্যামিনো এসিড প্রোটিনের মনোমার। এটি একটি জৈব যৌগ যাতে একটি কার্বোক্সিল ফাংশনাল গ্রুপ (-COOH), একটি অ্যামিনো ফাংশনাল গ্রুপ (-NH2), একটি কেন্দ্রীয় কার্বন পরমাণু এবং এই কেন্দ্রীয় কার্বন পরমাণুর সাথে একটি নির্দিষ্ট সাইড চেইন (R গ্রুপ) যুক্ত থাকে। অ্যামিনো গ্রুপ এবং কার্বক্সিলিক গ্রুপ এর উপস্থিতিই অ্যামিনো এসিড এর নাম অ্যামিনো এসিড হওয়ার কারণ।


একটি অ্যামিনো এসিড এর কার্বক্সিল গ্রুপ, পরবর্তী অ্যামিনো এসিডের আলফা অ্যামিনো গ্রুপের সাথে যুক্ত হয়ে পেপটাইড বন্ধন তৈরি করে। এভাবে অসংখ্য অ্যামিনো এসিড এর সংযুক্তির ফলে যে পলিপেপটাইড চেইন তৈরি হয় তাই প্রোটিন। 


২০ ধরনের অ্যামিনো এসিডের বিভিন্ন বিন্যাসে প্রোটিনের প্রাথমিক গঠন তৈরি হয়। এরমধ্যে ১১ টি মানুষ তার নিজ শরীরে সংশ্লেষ (Synthesis) করতে পারে আর বাকি ৯টি কে খাদ্যদ্রব্য থেকে সংগ্রহ করতে হয়, কারণ এই ৯টি মানবদেহে সংশ্লেষ হতে পারে না। ৯টি প্রোটিন যা মানব দেহে সংশ্লেষ করা যায় না সেগুলোকে Essential বা অত্যাবশক্তিও অ্যামিনো এসিড বলে আর বাকি ১১টি যেগুলোকে মানবদেহ সংশ্লেষ করতে পারে না তাদেরকে বলা হয় Non-essential অ্যামিনো এসিড। 



প্রোটিন বা আমিষ আমাদের জন্য কেন প্রয়োজন? 

  • প্রোটিনযুক্ত খাবার আমাদের শরীরে শক্তি সরবরাহ করে এবং শারীরিক বৃদ্ধি ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।

  • কোষের ভেতরে এবং বাইরে অসংখ্য জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটাতে সহায়তা করে।

  • কিছু প্রোটিন হরমোন রাসায়নিক বার্তাবাহক, সেগুলো শরীরের টিস্যু এবং অঙ্গগুলোর মধ্যে যোগাযোগে সহায়তা করে।

  • রক্তে এবং অন্যান্য শারীরিক তরলগুলোতে অ্যাসিড এবং ক্ষারকের ঘনত্বকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ভারসাম্য রক্ষা করতে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

  • বহিরাগত অণুজীবের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রোটিন আমাদের দেহে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সহায়তা করে।

২০২০ এর মার্চে একদল গবেষক দাবি করেন, তারা একটি উল্কার ভেতর প্রোটিনের সন্ধান পেয়েছেন। এর আগে ১৯৯০ সালেও আলজেরিয়া থেকে প্রাপ্ত একটি উল্কায় এরকম প্রোটিন পাওয়ার আলামত পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। মিলার-উরের পরীক্ষা থেকে আমরা বুঝতে পারি যে কিভাবে অজৈব অণু থেকে জৈব অণু সংশ্লেষিত হয়। উল্কাপিন্ডে প্রোটিনের সন্ধান পাওয়া গবেষক ও বিজ্ঞানীদের মাঝে বহির্জগতে প্রাণের সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনাকে আরো বহু গুণ বাড়িয়ে দেয়। অদূর ভবিষ্যতে আমরা হয়তো তা পারবো।


প্রোটিন সিন্থেসিস:

অ্যামিনো এসিড থেকে প্রোটিন উৎপাদনের সাথে জড়িত একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার ভিত্তি হল ডিএনএ দ্বারা বাহিত জেনেটিক তথ্য, এই প্রক্রিয়াকেই বলে প্রোটিন সিনথেসিস বা সংশ্লেষণ। কোষের রাইবোজোমে সংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি মূলত ঘটে থাকে। এই সংশ্লেষণ বা সিন্থেসিস বুঝতে আপনাকে দুটো শব্দের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে । প্রথমটি হলো ট্রান্সক্রিপশন ও দ্বিতীয়টি ট্রান্সলেশন। যাদের আভিধানিক অর্থ দাঁড়ায় যথাক্রমে প্রতিলিপন ও অনুবাদ/ভাষান্তর করা। এরা মূলত প্রোটিন সংশ্লেষণের দুটি ধাপ। সংশ্লেষণ নামক জৈবিক ক্রিয়াটির সাথে অর্থগুলো সমভাবাপন্ন। 

ট্রান্সক্রিপশন নিউক্লিয়াসে ঘটে থাকে। এই ধাপ চলাকালে একটি বিশেষ বার্তা বাহক বা মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) প্রয়োজন হয় । উদ্দেশ্য হল, জেনেটিক তথ্য বা কোডন সমূহকে ডিএনএ থেকে রাইবোজোম এ বহন করা, যেখানে প্রোটিন সংশ্লেষিত হবে। এই  বার্তাবাহক এর কাজটিই mRNA করে থাকে। জেনেটিক কোড কে কাজে লাগিয়ে প্রোটিনে রূপান্তরের সময়, এই mRNA টেমপ্লেট হিসেবে কাজ করে। mRNA , রাইবোজোমে পৌঁছানো মাত্রই ট্রান্সক্রিপশনের পরবর্তী ধাপ ট্রান্সলেশন শুরু হয়। 

ট্রান্সক্রিপশন বা প্রতিলিপনের সময়, একটি ডিএনএ সূত্র থেকে তার পরিপূরক mRNA সূত্র তৈরি হয়। এই ধাপ শুরু হয় মূলত যখন RNA Polymerase নামক এনজাইম জিনের "প্রোমোটার সিকোয়েন্স" নামক অঞ্চলে যুক্ত হয়, যা ডিএনএ এর প্যাঁচ খুলতে বার্তা পৌঁছায়। এতে করে ডিএনএ এর প্যাঁচ দুটি আলাদা হয়ে পড়ে। টেমপ্লেট হিসেবে ব্যবহৃত সূত্রটি টেমপ্লেট স্ট্র্যান্ড নামে পরিচিত, অন্য সূত্রটি অব্যবহৃত থাকে যেটি কোডিং স্ট্র্যান্ড । টেমপ্লেট স্ট্র্যান্ডকে পরিপূরক বেস পেয়ারিং পদ্ধতির মাধ্যমে mRNA তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে আরএনএ পলিমারেজ নামক এনজাইমটি ক্রমবর্ধমান mRNA স্ট্র্যান্ড এ নিউক্লিওটাইড যুক্ত করতে থাকে। mRNA এর স্ট্র্যান্ড বা সূত্রটি কোডিং স্ট্র্যান্ড এর অনুরূপ হয়। তবে পার্থক্য হলো কোডিং স্ট্র্যান্ড ডিএনএ হওয়ায় তাতে Thymine বেস থাকে আর mRNA এক প্রকার আরএনএ হওয়ায় তাতে Thymine এর পরিবর্তে Uracil বেস থাকে। 

এটি এখন Pre-mRNA, অর্থাৎ অপ্রস্তুত বা Immature mRNA। নিউক্লিয়াস ছেড়ে সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত রাইবোজোম এ যাওয়ার জন্য উক্ত mRNA কে আরো কিছু ধাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। 

ট্রান্সক্রিপশন পরবর্তী ট্রান্সলেশন ধাপটিতে Mature mRNA তে বিদ্যমান জেনেটিক কোডন সমূহ প্রোটিন তৈরির জন্য পাঠ করা হয়। এই ধাপে রাইবোজোম, mRNA তে বিদ্যমান কোডন সমূহের ক্রম নির্ণয় করে এবং এই জায়গায় আমরা mRNA এর পরিবর্তে Translation RNA বা tRNA দেখতে পাই, যা উপযুক্ত অ্যামাইনো এসিড সমূহ কে সঠিক ক্রমানুসারে রাইবোজোমে এনে দেয়। 

শুরুতে একটি ছোট রাইবোজোম এর সাব-ইউনিট mRNA এর সাথে আবদ্ধ হয়, স্টার্ট বা সূচনা কোডন (AUG) খুঁজে বের করে এবং জোড়া বাঁধে। mRNA এর টেমপ্লেট বরাবর রাইবোজোম অগ্রসর হতে থাকে এবং tRNA , সূচনা কোডন পরবর্তী কোডন গুলোর জন্য ক্রমান্বয়ে উপযুক্ত অ্যামিনো এসিড বহন করে আনতে থাকে। এভাবে অসংখ্য এমিনো এসিড যুক্ত হওয়ার ফলে পলিপেপটাইড সৃষ্টি হয়। একসময় রাইবোজোম স্টপ কোডন ( UAA, UAG, UGA) তে পৌঁছে যায়, ‌ এতে ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াটি থেমে যায়। 

পলিপেপটাইড চেইন তৈরির পর, এটি আরো বাড়তি কিছু ধাপের মধ্য দিয়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়: পলিপেপটাইড চেইন এ বিদ্যমান অ্যামিনো এসিড সমূহের মধ্যকার মিথস্ক্রিয়া এর জন্য চেইনটিতে একটি ভাঁজ করা শেইপ বা আকৃতি তৈরি হতে পারে। 

One interesting fact: 

ডিএনএ এবং আরএনএ তে যে চার ধরনের বেস থাকে, যথাঃ Adenine, Guanine, Cytosine and Thymine (আরএনএ এর ক্ষেত্রে Uracil) , এই চার ধরনের বেস যেকোনো তিন ভাবে সজ্জিত হতে পারে, ফলস্বরূপ মোট কোডনের সংখ্যা দাঁড়ায়: ৪^৩=৬৪ টি। তাহলে চিন্তা করে দেখুন এতগুলো কোডন এর কম্বিনেশন থেকে কি পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন প্রোটিন তৈরি সম্ভব। এই ভিন্নতায় মূলত জীববৈচিত্রের জন্য দায়ী।



তথ্যসূত্রঃ

New Scientist, Human Biology


Images: Biology Dictionary  Online Biology Notes Science Facts


Comments

Popular posts from this blog

কাঁদলে হালকা অনুভুত হয় কেন?

চিত্রঃ শিশুর স্বাভাবিক কান্না কান্নায় যেন এক অন্যরকম সুখ আছে, তাই তো আমি কাঁদতে এত ভালোবাসি। মানবজীবনে সুখ-দুঃখ যেন এপিঠ ওপিঠ। কখনো সুখ-শান্তি আসে আর কখনো বা হতাশা-শোক-দুঃখ আমাদের জর্জরিত করে ! এই হতাশা কিংবা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে। তো এত চোঁখের জল ফেলেই কি লাভ ? কান্না একটি জটিল ও অদ্বিতীয় মানবিক আচরণ, যার শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটি আমাদের চাপ মোকাবেলা করতে, আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে ।  কিছু প্রখ্যাত গবেষকদের মতে, কান্নার ফলে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, এই হরমোন দুইটি আমাদের কে প্রশান্তি এনে দিতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে, আমাদের মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোন ও টক্সিক উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিয়ে ফুরফুরে মেজাজ তৈরি করে। সাথে সাথে শারীরিকভাবেও সুস্থ রাখে।  তবে সব কান্নাই উপকারী নয়, কখনো কখনো কান্না বিষন্নতা, উদ্বেগ এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর মত জটিল মানসিক রোগের উপসর্গ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই যে কেউ কাঁদতে পারে, তাই তখন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ...

পৃথিবীতে কোনো অনুজীব না থাকলে মানুষের পুষ্টি ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিতো কি?

আচ্ছা ভেবে দেখুন তো, যদি পৃথিবীতে কোন অণুজীব না থাকতো, সবই যদি দৃশ্যমান হতো তাহলে কেমন হতো? আদৌ কি আমাদের মানবজাতির অস্তিত্ব থাকতো ? চিত্রঃ অনুজীব চিত্রঃ পাচনতন্ত্রে অণুজীবের ভূমিকা শুধু এটাই ভেবে দেখুন, মানুষের পুষ্টি ও বিপাক ক্রিয়ায় কোন সমস্যা হতো কিনা ! উত্তর হলো, হ্যাঁ । মানুষের বিপাক ক্রিয়ায় কোটি কোটি অণুজীব ভূমিকা রাখে । একই সাথে তারা ভূমিকা পালন করে পুষ্টি প্রক্রিয়ায় । আমরা যে খাবার খাই তার পরিপাক মুখের গহ্বর থেকে শুরু করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত চলে । বিভিন্ন ধরনের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, আবারো বলছি , "উপকারী" ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে খাবার পরিপাক ও তা থেকে পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য । তাদের কেউ শর্করা, কেউবা আমিষ এবং কেউ কেউ স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাকে নিয়োজিত । খাবারের কণাকে ভেঙে তা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তা সরাসরি রক্তে পৌঁছে দেয় এই উপকারী অনুজীব সমূহ , রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে সারা দেহে উক্ত পুষ্টি উপাদান সমূহ পৌঁছে যায় দেহের প্রতিটি প্রান্তে বিদ্যমান কোষসমূহে । অতঃপর কোষের বিকাশ সাধন হয় এবং সর্বোপরি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং উন্নতি সাধন হয় । অনুজীব এর অস্...

All about Google Earth !

  পুরো পৃথিবীটা যখন হাতের মুঠোয়..... "মাঝে মাঝে আমি নিজের খেয়ালে হারিয়ে যাই এক অজানা দেশে, হারিয়ে যাব শতকোটির আলোকবর্ষ দূরে!" হারিয়ে যেতে চান, তাহলে চলুন দেখি হারিয়ে যেতে চাইলে কি করবো । Google Earth Homepage একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে গুগল ম্যাপ হলো পৃথিবীতে আপনাকে খুঁজে পাওয়ার জায়গা । আর গুগল আর্থ হল এই বিরাট পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়ার জায়গা । এই গুগল আর্থ ই আপনাকে সাহায্য করবে অজানার ডুব দিতে । আমরা সবাই কমবেশি গুগল আর্থ(Google Earth) ব্যবহার করেছি । হতে পারে সেটা কম্পিউটারে ওয়েবসাইটে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর মাধ্যমে । কখনো কি ভেবে দেখেছি গুগল আর্থে পৃথিবী দেখতে যেরকম বাস্তবে পৃথিবীতে সেরকমই দেখা যায় ? উত্তরটা হলো "না' । বাস্তবের পৃথিবীতে একেক স্থানে একেক ঋতু বিদ্যমান থাকলেও গুগল আর্থে বিদ্যমান পৃথিবীতে পুরো জায়গা জুড়ে বসন্তকাল । সেজন্য বাস্তবের পৃথিবী তে অনেক মেঘ দেখা যায় কিন্তু গুগল আর্থে কোন মেঘ দেখা যায় না , সম্পূর্ণ পরিষ্কার । যেহেতু তারা বিমান চালিয়ে থ্রিডি ইমেজ সংগ্রহ করে তাই তাদের প্রয়োজন পরিষ্কার আকাশ । এজন্যই গুগল ম্যাপসে বা...