Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Life Science

All About proteins!

  প্রোটিন:  প্রোটিন বা আমিষ হলো অ্যামিনো এসিড দিয়ে তৈরি লম্বা একটা চেইন, যাতে অসংখ্য অ্যামিনো এসিড পেপটাইড বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। আর এই কাজে দায়িত্ব পালন করে DNA। DNA তে বিদ্যমান জিনগুলি প্রোটিন তৈরির জন্য নির্দেশনা দেয়।  প্রোটিনকে বলা হয় জীবনের ভাষা, কারণ এটি জীবের‌ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও সম্পাদনা করে থাকে। দেহের বিভিন্ন গঠনমূলক উপাদান, হরমোন, প্রতিরক্ষামূলক এন্টিবডি এবং বিভিন্ন উপাদান পরিবহনকারী হিসেবে কাজ করে এই প্রোটিন। আর এগুলোর সবকিছুই জীবের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য।  অ্যামিনো এসিড এর বিন্যাসের ভিন্নতার কারণে প্রতিটি প্রোটিনের প্রাথমিক গঠন একে অপর থেকে ভিন্ন হয়।   অ্যামিনো এসিডের স্ট্রাকচারটা এক নজরে দেখে নিইঃ অ্যামিনো এসিড প্রোটিনের মনোমার। এটি একটি জৈব যৌগ যাতে একটি কার্বোক্সিল ফাংশনাল গ্রুপ (-COOH), একটি অ্যামিনো ফাংশনাল গ্রুপ (-NH2), একটি কেন্দ্রীয় কার্বন পরমাণু এবং এই কেন্দ্রীয় কার্বন পরমাণুর সাথে একটি নির্দিষ্ট সাইড চেইন (R গ্রুপ) যুক্ত থাকে। অ্যামিনো গ্রুপ এবং কার্বক্সিলিক গ্রুপ এর উপস্থিতিই অ্যামিনো এসিড এর নাম অ্...

কাঁদলে হালকা অনুভুত হয় কেন?

চিত্রঃ শিশুর স্বাভাবিক কান্না কান্নায় যেন এক অন্যরকম সুখ আছে, তাই তো আমি কাঁদতে এত ভালোবাসি। মানবজীবনে সুখ-দুঃখ যেন এপিঠ ওপিঠ। কখনো সুখ-শান্তি আসে আর কখনো বা হতাশা-শোক-দুঃখ আমাদের জর্জরিত করে ! এই হতাশা কিংবা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে। তো এত চোঁখের জল ফেলেই কি লাভ ? কান্না একটি জটিল ও অদ্বিতীয় মানবিক আচরণ, যার শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটি আমাদের চাপ মোকাবেলা করতে, আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে ।  কিছু প্রখ্যাত গবেষকদের মতে, কান্নার ফলে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, এই হরমোন দুইটি আমাদের কে প্রশান্তি এনে দিতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে, আমাদের মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোন ও টক্সিক উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিয়ে ফুরফুরে মেজাজ তৈরি করে। সাথে সাথে শারীরিকভাবেও সুস্থ রাখে।  তবে সব কান্নাই উপকারী নয়, কখনো কখনো কান্না বিষন্নতা, উদ্বেগ এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর মত জটিল মানসিক রোগের উপসর্গ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই যে কেউ কাঁদতে পারে, তাই তখন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ...

পৃথিবীতে কোনো অনুজীব না থাকলে মানুষের পুষ্টি ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিতো কি?

আচ্ছা ভেবে দেখুন তো, যদি পৃথিবীতে কোন অণুজীব না থাকতো, সবই যদি দৃশ্যমান হতো তাহলে কেমন হতো? আদৌ কি আমাদের মানবজাতির অস্তিত্ব থাকতো ? চিত্রঃ অনুজীব চিত্রঃ পাচনতন্ত্রে অণুজীবের ভূমিকা শুধু এটাই ভেবে দেখুন, মানুষের পুষ্টি ও বিপাক ক্রিয়ায় কোন সমস্যা হতো কিনা ! উত্তর হলো, হ্যাঁ । মানুষের বিপাক ক্রিয়ায় কোটি কোটি অণুজীব ভূমিকা রাখে । একই সাথে তারা ভূমিকা পালন করে পুষ্টি প্রক্রিয়ায় । আমরা যে খাবার খাই তার পরিপাক মুখের গহ্বর থেকে শুরু করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত চলে । বিভিন্ন ধরনের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, আবারো বলছি , "উপকারী" ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে খাবার পরিপাক ও তা থেকে পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য । তাদের কেউ শর্করা, কেউবা আমিষ এবং কেউ কেউ স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাকে নিয়োজিত । খাবারের কণাকে ভেঙে তা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তা সরাসরি রক্তে পৌঁছে দেয় এই উপকারী অনুজীব সমূহ , রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে সারা দেহে উক্ত পুষ্টি উপাদান সমূহ পৌঁছে যায় দেহের প্রতিটি প্রান্তে বিদ্যমান কোষসমূহে । অতঃপর কোষের বিকাশ সাধন হয় এবং সর্বোপরি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং উন্নতি সাধন হয় । অনুজীব এর অস্...