Skip to main content

বারমুডা ট্রাইএঙ্গেল এ সংঘটিত অসংখ্য দুর্ঘটনার জন্য বা বিমান এবং জাহাজ গায়েব হওয়ার জন্য আপনি কোনটিকে/কোনগুলো সমর্থন করেন ?

 বারমুডা ট্রাইএঙ্গেল এ সংঘটিত অসংখ্য দুর্ঘটনার জন্য বা বিমান এবং জাহাজ গায়েব হওয়ার জন্য আপনি কোনটিকে/কোনগুলো সমর্থন করেন ?



#SBQ 

"বারমুডা ট্রাইএঙ্গেল" সম্পর্কে আমরা সকলেই কম বেশি কিছু না কিছু জানি । এবং আমাদের কৌতূহলেরও শেষ নেই । এখানে এযাবত কাল পর্যন্ত শত শত বিমান , জাহাজ , স্পিডবোট গায়েব হয়েছে । বেশিরভাগ যানই কোনো কারণ ছাড়াই দুর্ঘটনায় পতিত হয়েছে । এবং বিরাট এক রহস্যের জন্ম দিয়েছে ! 

এসব দুর্ঘটনার জন্য আপনি কোন গুলো সমর্থন করেন ??


১. একদল লোকের দাবি , "বারমুডার পানির গভীরতা খুব বেশি , তাই এসব গায়েব হয়েছে !"

২. প্রসিদ্ধ বিজ্ঞানী এড স্নেডেকার এর দাবি ," বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের আকাশে অদম্য শক্তিশালী বিষয় আছে , যা প্লেন বা জাহাজকে তার পানির ভেতর ঢুকিয়ে দেয় !"

৩. বারমুডা নিয়ে গবেষণাকারী চার্লস ব্রিল্টার্স বলেন ,"বারমুডার পানিতে ম্যাগনেটিক ভোরটেক্স আছে , যা শিকারকে টেনে ভেতরে নিয়ে যায় !"

৪.ড. বেন কিনাল বলেন ," এখানে উচ্চগতির জ্বালানি শক্তি সম্পন্ন মিথেন গ্যাস রয়েছে , যা মুক্তা আকারে পানির উপরে এসে বিস্ফোরিত হয় এবং পানির ঘনত্ব এত কমে যায় , যার কারণে জাহাজ-স্পিড বোট ইত্যাদি ডুবে যায় । যদি আকাশে ছড়িয়ে পড়ে গ্যাসটি , তবে প্লেন কেউ সাগরের বুকে টেনে নিতে পারে !" 

৫. আমেরিকার নৌ বাহিনীর দাবি , "এসব দুর্ঘটনা টেকনিক্যাল ত্রুটি এবং অনুপোযোগী ঋতুর জন্য হয় !" 

৬. আর একদল লোক দাবি করেন , " এখানে বৈদ্যুতিক শক তৈরি হয় , যা ব্যবহৃত বিদ্যুৎ থেকে হাজারগুণ শক্তিশালী ! ফলে কম্পাস বিকল হয়ে পড়ে এবং দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে যায় !" 

(ব্যক্তিগতভাবে আমি পাঁচ নম্বর পয়েন্ট টি সমর্থন করি না )






Comments

Popular posts from this blog

কাঁদলে হালকা অনুভুত হয় কেন?

চিত্রঃ শিশুর স্বাভাবিক কান্না কান্নায় যেন এক অন্যরকম সুখ আছে, তাই তো আমি কাঁদতে এত ভালোবাসি। মানবজীবনে সুখ-দুঃখ যেন এপিঠ ওপিঠ। কখনো সুখ-শান্তি আসে আর কখনো বা হতাশা-শোক-দুঃখ আমাদের জর্জরিত করে ! এই হতাশা কিংবা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে। তো এত চোঁখের জল ফেলেই কি লাভ ? কান্না একটি জটিল ও অদ্বিতীয় মানবিক আচরণ, যার শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটি আমাদের চাপ মোকাবেলা করতে, আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে ।  কিছু প্রখ্যাত গবেষকদের মতে, কান্নার ফলে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, এই হরমোন দুইটি আমাদের কে প্রশান্তি এনে দিতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে, আমাদের মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোন ও টক্সিক উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিয়ে ফুরফুরে মেজাজ তৈরি করে। সাথে সাথে শারীরিকভাবেও সুস্থ রাখে।  তবে সব কান্নাই উপকারী নয়, কখনো কখনো কান্না বিষন্নতা, উদ্বেগ এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর মত জটিল মানসিক রোগের উপসর্গ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই যে কেউ কাঁদতে পারে, তাই তখন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ...

পৃথিবীতে কোনো অনুজীব না থাকলে মানুষের পুষ্টি ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিতো কি?

আচ্ছা ভেবে দেখুন তো, যদি পৃথিবীতে কোন অণুজীব না থাকতো, সবই যদি দৃশ্যমান হতো তাহলে কেমন হতো? আদৌ কি আমাদের মানবজাতির অস্তিত্ব থাকতো ? চিত্রঃ অনুজীব চিত্রঃ পাচনতন্ত্রে অণুজীবের ভূমিকা শুধু এটাই ভেবে দেখুন, মানুষের পুষ্টি ও বিপাক ক্রিয়ায় কোন সমস্যা হতো কিনা ! উত্তর হলো, হ্যাঁ । মানুষের বিপাক ক্রিয়ায় কোটি কোটি অণুজীব ভূমিকা রাখে । একই সাথে তারা ভূমিকা পালন করে পুষ্টি প্রক্রিয়ায় । আমরা যে খাবার খাই তার পরিপাক মুখের গহ্বর থেকে শুরু করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত চলে । বিভিন্ন ধরনের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, আবারো বলছি , "উপকারী" ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে খাবার পরিপাক ও তা থেকে পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য । তাদের কেউ শর্করা, কেউবা আমিষ এবং কেউ কেউ স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাকে নিয়োজিত । খাবারের কণাকে ভেঙে তা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তা সরাসরি রক্তে পৌঁছে দেয় এই উপকারী অনুজীব সমূহ , রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে সারা দেহে উক্ত পুষ্টি উপাদান সমূহ পৌঁছে যায় দেহের প্রতিটি প্রান্তে বিদ্যমান কোষসমূহে । অতঃপর কোষের বিকাশ সাধন হয় এবং সর্বোপরি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং উন্নতি সাধন হয় । অনুজীব এর অস্...

All about Google Earth !

  পুরো পৃথিবীটা যখন হাতের মুঠোয়..... "মাঝে মাঝে আমি নিজের খেয়ালে হারিয়ে যাই এক অজানা দেশে, হারিয়ে যাব শতকোটির আলোকবর্ষ দূরে!" হারিয়ে যেতে চান, তাহলে চলুন দেখি হারিয়ে যেতে চাইলে কি করবো । Google Earth Homepage একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে গুগল ম্যাপ হলো পৃথিবীতে আপনাকে খুঁজে পাওয়ার জায়গা । আর গুগল আর্থ হল এই বিরাট পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়ার জায়গা । এই গুগল আর্থ ই আপনাকে সাহায্য করবে অজানার ডুব দিতে । আমরা সবাই কমবেশি গুগল আর্থ(Google Earth) ব্যবহার করেছি । হতে পারে সেটা কম্পিউটারে ওয়েবসাইটে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর মাধ্যমে । কখনো কি ভেবে দেখেছি গুগল আর্থে পৃথিবী দেখতে যেরকম বাস্তবে পৃথিবীতে সেরকমই দেখা যায় ? উত্তরটা হলো "না' । বাস্তবের পৃথিবীতে একেক স্থানে একেক ঋতু বিদ্যমান থাকলেও গুগল আর্থে বিদ্যমান পৃথিবীতে পুরো জায়গা জুড়ে বসন্তকাল । সেজন্য বাস্তবের পৃথিবী তে অনেক মেঘ দেখা যায় কিন্তু গুগল আর্থে কোন মেঘ দেখা যায় না , সম্পূর্ণ পরিষ্কার । যেহেতু তারা বিমান চালিয়ে থ্রিডি ইমেজ সংগ্রহ করে তাই তাদের প্রয়োজন পরিষ্কার আকাশ । এজন্যই গুগল ম্যাপসে বা...