Skip to main content

সঙ্গীত আসক্তি ও অনুশোচনা

 💚

আমি আপনাকে বলছি আমি সঙ্গীতে আসক্ত ‌ । সকাল 8 টা থেকে 1 টা পর্যন্ত প্রচুর ব্যস্ত সময় পার করার পর সিএনজি দিয়ে আসার সময় মানসিক বিশ্রাম এর প্রয়োজন মনে করলাম ‌ । তো এজন্য প্রথমে পছন্দের আরবি ইংলিশ সংগীত শুনতে লাগলাম এরপর হঠাৎ করে মিশারি আলফাসি এর কথা মনে হলো । তারপর উনার একটি নাত প্লে করলাম । কানে হেডফোন লাগানো ছিল । হুট করেই আমার সমস্ত অনুভূতি পরিবর্তন হয়ে যায় ‌। এরপর উনার তিলাওয়াত ইউটিউব থেকে বের করে শুনতে শুরু করলাম । এক আশ্চর্যজনক অনুভূতি শুরু হলো । সত্যি কথা আলিফ ভাই মনে হচ্ছিল আমার শরীরের ভেতর কোন এক ক্ষুধা মিটে যাচ্ছে । আমি পুরো গাড়ি সূরা আর রহমান শুনে শুনে বাড়ি এলাম । সাথে সাথে প্রচন্ড ভালো লাগতেছিল একই সাথে আবেগে চোখ ভিজে যাচ্ছিল ❤️ এর পর মনে হল বহুদিন দেহমনকে সর্বোত্তম খাদ্য প্রদান করা হয়নি যেটা আজকে প্রদান করলাম । সকালে তেমন কিছু খাইনি তাই প্রচন্ড ক্ষুধা লাগছিল । কিন্তু তেলাওয়াত শোনার পর মনে হচ্ছিল ক্ষুধা মিটে যাচ্ছে আস্তে আস্তে । 

সত্যি কথা আমি এখন আমার অবসর সময় কে এবং বিশেষ মুহূর্ত যেমন বৃষ্টির সময় কিংবা জার্নি করার সময় তেলাওয়াত শোনার কাজে ব্যয় করবো ইনশাল্লাহ

 ❤️

গান শুনলে অন্তর এর নুর খরচ হয় এজন্য ক্ষুধা লাগে । আর কুরআন তিলাওয়াত করা কিংবা শোনার মাধ্যমে অন্তরে নূর তৈরি হয় , নূরের ক্ষুধা দূর হয়।


Comments

Popular posts from this blog

কাঁদলে হালকা অনুভুত হয় কেন?

চিত্রঃ শিশুর স্বাভাবিক কান্না কান্নায় যেন এক অন্যরকম সুখ আছে, তাই তো আমি কাঁদতে এত ভালোবাসি। মানবজীবনে সুখ-দুঃখ যেন এপিঠ ওপিঠ। কখনো সুখ-শান্তি আসে আর কখনো বা হতাশা-শোক-দুঃখ আমাদের জর্জরিত করে ! এই হতাশা কিংবা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে। তো এত চোঁখের জল ফেলেই কি লাভ ? কান্না একটি জটিল ও অদ্বিতীয় মানবিক আচরণ, যার শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটি আমাদের চাপ মোকাবেলা করতে, আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে ।  কিছু প্রখ্যাত গবেষকদের মতে, কান্নার ফলে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, এই হরমোন দুইটি আমাদের কে প্রশান্তি এনে দিতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে, আমাদের মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোন ও টক্সিক উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিয়ে ফুরফুরে মেজাজ তৈরি করে। সাথে সাথে শারীরিকভাবেও সুস্থ রাখে।  তবে সব কান্নাই উপকারী নয়, কখনো কখনো কান্না বিষন্নতা, উদ্বেগ এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর মত জটিল মানসিক রোগের উপসর্গ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই যে কেউ কাঁদতে পারে, তাই তখন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ...

পৃথিবীতে কোনো অনুজীব না থাকলে মানুষের পুষ্টি ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিতো কি?

আচ্ছা ভেবে দেখুন তো, যদি পৃথিবীতে কোন অণুজীব না থাকতো, সবই যদি দৃশ্যমান হতো তাহলে কেমন হতো? আদৌ কি আমাদের মানবজাতির অস্তিত্ব থাকতো ? চিত্রঃ অনুজীব চিত্রঃ পাচনতন্ত্রে অণুজীবের ভূমিকা শুধু এটাই ভেবে দেখুন, মানুষের পুষ্টি ও বিপাক ক্রিয়ায় কোন সমস্যা হতো কিনা ! উত্তর হলো, হ্যাঁ । মানুষের বিপাক ক্রিয়ায় কোটি কোটি অণুজীব ভূমিকা রাখে । একই সাথে তারা ভূমিকা পালন করে পুষ্টি প্রক্রিয়ায় । আমরা যে খাবার খাই তার পরিপাক মুখের গহ্বর থেকে শুরু করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত চলে । বিভিন্ন ধরনের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, আবারো বলছি , "উপকারী" ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে খাবার পরিপাক ও তা থেকে পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য । তাদের কেউ শর্করা, কেউবা আমিষ এবং কেউ কেউ স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাকে নিয়োজিত । খাবারের কণাকে ভেঙে তা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তা সরাসরি রক্তে পৌঁছে দেয় এই উপকারী অনুজীব সমূহ , রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে সারা দেহে উক্ত পুষ্টি উপাদান সমূহ পৌঁছে যায় দেহের প্রতিটি প্রান্তে বিদ্যমান কোষসমূহে । অতঃপর কোষের বিকাশ সাধন হয় এবং সর্বোপরি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং উন্নতি সাধন হয় । অনুজীব এর অস্...

All about Google Earth !

  পুরো পৃথিবীটা যখন হাতের মুঠোয়..... "মাঝে মাঝে আমি নিজের খেয়ালে হারিয়ে যাই এক অজানা দেশে, হারিয়ে যাব শতকোটির আলোকবর্ষ দূরে!" হারিয়ে যেতে চান, তাহলে চলুন দেখি হারিয়ে যেতে চাইলে কি করবো । Google Earth Homepage একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে গুগল ম্যাপ হলো পৃথিবীতে আপনাকে খুঁজে পাওয়ার জায়গা । আর গুগল আর্থ হল এই বিরাট পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়ার জায়গা । এই গুগল আর্থ ই আপনাকে সাহায্য করবে অজানার ডুব দিতে । আমরা সবাই কমবেশি গুগল আর্থ(Google Earth) ব্যবহার করেছি । হতে পারে সেটা কম্পিউটারে ওয়েবসাইটে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর মাধ্যমে । কখনো কি ভেবে দেখেছি গুগল আর্থে পৃথিবী দেখতে যেরকম বাস্তবে পৃথিবীতে সেরকমই দেখা যায় ? উত্তরটা হলো "না' । বাস্তবের পৃথিবীতে একেক স্থানে একেক ঋতু বিদ্যমান থাকলেও গুগল আর্থে বিদ্যমান পৃথিবীতে পুরো জায়গা জুড়ে বসন্তকাল । সেজন্য বাস্তবের পৃথিবী তে অনেক মেঘ দেখা যায় কিন্তু গুগল আর্থে কোন মেঘ দেখা যায় না , সম্পূর্ণ পরিষ্কার । যেহেতু তারা বিমান চালিয়ে থ্রিডি ইমেজ সংগ্রহ করে তাই তাদের প্রয়োজন পরিষ্কার আকাশ । এজন্যই গুগল ম্যাপসে বা...