Skip to main content

Last day at SSNIC _ সমাচার

 October 25, 2021

 ·

Shared with Public

শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ , এটা একটা প্রাণের স্পন্দন । গতকাল সকাল থেকে চরম উৎসাহ এবং আনন্দের সাথে বন্ধুদের সাথে সময় পার করেছি ! করোনা পরিস্থিতির জন্য মাত্র সাত থেকে আট মাস ক্লাস করার সুযোগ পেয়েছিলাম , এই সময়ে খুব বেশি সংখ্যক বন্ধু হয়নি আমার । কিন্তু লকডাউন চলাকালীন সময়ে ফেসবুকে আসার পর আমার অনেক অনেক বন্ধু হয়েছে । কাউকে হেল্প করেছি কিংবা কেউ কেউ আমাকে অনেক হেল্প করেছে । তার উপরে বড় কথা তাদের অনেকের সাথেই অনেক ফিলিংস শেয়ার করতে পেরেছি 😃 তারাও আমার সাথে তাদের ফিলিংস শেয়ার করেছে। বেশ কিছু মানুষকে কেবল ভার্চুয়াল জগতে চিনতাম , তাদেরকে গতকাল বাস্তবে দেখার সুযোগ হয়েছে । বেশকিছু নাম যেগুলো আমাদের প্রায় সবারই পরিচিত যেমন যুবাইর মাহমুদ নির্যাস কিংবা তানজিম আশরাফ রাতুল  , মোস্তফা খালেদ বিন শামস💕💕 সহ আরো অনেক বন্ধুকেই ভার্চুয়াল জগতের বাইরে বাস্তব জগতে দেখতে পেয়েছি । তবে ডি এবং ই সেকশনের যাদের সাথে আমি ফেসবুকে পরিচিত তাদের কাউকেই আমি বাস্তবে দেখিনি এবং দেখার প্রশ্নও আসেনা 😣বেশ কয়েকটা নাম যেমন পুষ্পিতা , প্রাপ্তি ,  হৃদি এবং আরো অনেক(সবার নাম জানি না) ফেইসবুক ফ্রেন্ডস কে বাস্তবে দেখতে পেরেছি । ছেলে অথবা মেয়ে যেই হোক তাদের অনেকের সাথে এটাই জীবনের প্রথম এবং শেষ দেখা 😭

কালকে সন্ধ্যায় যখন অডিটোরিয়াম ছেড়ে বের হচ্ছিলাম তখন অডিটোরিয়াম গেইট এর কাছে গিয়ে পিছন ফিরে তাকালাম , পুরো অডিটোরিয়াম একবার দেখে নিলাম । সাথে সাথে চোখ দুটো ভিজে গেল 😢 একই সাথে লাস্ট ক্লাস সেলিব্রেশন এর কথা মনে হতেই প্রচন্ড কান্না শুরু হলো 😭 এই কান্না আমি কিছুতেই থামাতে পারছিলাম না । কারণ বন্ধুদের সাথে জড়িয়ে থাকা অনেক অনেক স্মৃতি বিজড়িত সময়গুলো মনে হচ্ছিল । কেবল রুমাল দিয়ে মুখটা ঢেকে রাখার চেষ্টা করছিলাম ! বের হওয়ার সময় কাউকেই সাথে পাইনি ! এরপর গাড়ি করে বাসায় আসার পথে পুরো সময়ই আমার চোখ ভেজা ছিল  । আর সকলের কথা খুব বেশি বেশি মনে হচ্ছিল 😭 বাসায় এসেও স্তব্ধতায় আচ্ছন্ন রইলাম !

কাল রাতটা খুব কষ্টে গিয়েছে । ভালোভাবে ঘুমাতে পারিনি এসব ভেবে । কয়েকজনকে ফোন দিয়ে মিথ্যা সান্ত্বনা নেওয়ার চেষ্টা করলাম !

আজকেও সেই অনুভূতি গুলো আমার মনে ঘুরপাক খাচ্ছে , একটা কষ্ট 😣বুকে চাপা দিয়ে বইগুলো মেলে পরীক্ষার প্রিপারেশন নেওয়ার চেষ্টা করছি 😖!

আমি জানি সবার অনুভূতি আমার মত না ! এই অনুভূতি হয়তো সবার মাঝে নেই ! আর কলেজের সবার সামনের কাতারের খুব ভালো স্টুডেন্টও নই আমি। অনেকেই হয়তো আমাকে চিনেনা ! কিন্তু তাদের অনেককে আমি চিনি ! ফেসবুকের মুখগুলো বাস্তবে আরো উচ্ছল , প্রাণবন্ত !

আমরা সকলে মিলে একটা পরিবার , হারিয়ে যাব কোনো অজানায় 😓 ভালো থেকো সবাই !


HSC fact !!!

আর আসিব না ফিরে : এই বেশে , সেই 

          পোষাকে, ইউনিফর্মে , 

        আর হবে না‌ দেখা ;

রয়ে যাবে কিছু স্মৃতি , কিছু কথা , অনুভূতি ;

                  বয়ে যাবে সময় , ফুরোবে যৌবন ; 

 কিন্তু থাকিবে রঙিন এই স্মৃতিপটে : এই মন ,

বুঝিবে সেদিন , হাসিবে , কাঁদবে , 

               থাকিবে মৌন ;

খুঁজিবে কিন্তু পাবে না ;

      আফসোসে যেন আঁধার নেমে না আসে                    

                       এই জীবনে !!!


Comments

Popular posts from this blog

কাঁদলে হালকা অনুভুত হয় কেন?

চিত্রঃ শিশুর স্বাভাবিক কান্না কান্নায় যেন এক অন্যরকম সুখ আছে, তাই তো আমি কাঁদতে এত ভালোবাসি। মানবজীবনে সুখ-দুঃখ যেন এপিঠ ওপিঠ। কখনো সুখ-শান্তি আসে আর কখনো বা হতাশা-শোক-দুঃখ আমাদের জর্জরিত করে ! এই হতাশা কিংবা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে। তো এত চোঁখের জল ফেলেই কি লাভ ? কান্না একটি জটিল ও অদ্বিতীয় মানবিক আচরণ, যার শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটি আমাদের চাপ মোকাবেলা করতে, আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে ।  কিছু প্রখ্যাত গবেষকদের মতে, কান্নার ফলে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, এই হরমোন দুইটি আমাদের কে প্রশান্তি এনে দিতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে, আমাদের মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোন ও টক্সিক উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিয়ে ফুরফুরে মেজাজ তৈরি করে। সাথে সাথে শারীরিকভাবেও সুস্থ রাখে।  তবে সব কান্নাই উপকারী নয়, কখনো কখনো কান্না বিষন্নতা, উদ্বেগ এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর মত জটিল মানসিক রোগের উপসর্গ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই যে কেউ কাঁদতে পারে, তাই তখন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ...

পৃথিবীতে কোনো অনুজীব না থাকলে মানুষের পুষ্টি ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিতো কি?

আচ্ছা ভেবে দেখুন তো, যদি পৃথিবীতে কোন অণুজীব না থাকতো, সবই যদি দৃশ্যমান হতো তাহলে কেমন হতো? আদৌ কি আমাদের মানবজাতির অস্তিত্ব থাকতো ? চিত্রঃ অনুজীব চিত্রঃ পাচনতন্ত্রে অণুজীবের ভূমিকা শুধু এটাই ভেবে দেখুন, মানুষের পুষ্টি ও বিপাক ক্রিয়ায় কোন সমস্যা হতো কিনা ! উত্তর হলো, হ্যাঁ । মানুষের বিপাক ক্রিয়ায় কোটি কোটি অণুজীব ভূমিকা রাখে । একই সাথে তারা ভূমিকা পালন করে পুষ্টি প্রক্রিয়ায় । আমরা যে খাবার খাই তার পরিপাক মুখের গহ্বর থেকে শুরু করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত চলে । বিভিন্ন ধরনের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, আবারো বলছি , "উপকারী" ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে খাবার পরিপাক ও তা থেকে পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য । তাদের কেউ শর্করা, কেউবা আমিষ এবং কেউ কেউ স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাকে নিয়োজিত । খাবারের কণাকে ভেঙে তা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তা সরাসরি রক্তে পৌঁছে দেয় এই উপকারী অনুজীব সমূহ , রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে সারা দেহে উক্ত পুষ্টি উপাদান সমূহ পৌঁছে যায় দেহের প্রতিটি প্রান্তে বিদ্যমান কোষসমূহে । অতঃপর কোষের বিকাশ সাধন হয় এবং সর্বোপরি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং উন্নতি সাধন হয় । অনুজীব এর অস্...

All about Google Earth !

  পুরো পৃথিবীটা যখন হাতের মুঠোয়..... "মাঝে মাঝে আমি নিজের খেয়ালে হারিয়ে যাই এক অজানা দেশে, হারিয়ে যাব শতকোটির আলোকবর্ষ দূরে!" হারিয়ে যেতে চান, তাহলে চলুন দেখি হারিয়ে যেতে চাইলে কি করবো । Google Earth Homepage একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে গুগল ম্যাপ হলো পৃথিবীতে আপনাকে খুঁজে পাওয়ার জায়গা । আর গুগল আর্থ হল এই বিরাট পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়ার জায়গা । এই গুগল আর্থ ই আপনাকে সাহায্য করবে অজানার ডুব দিতে । আমরা সবাই কমবেশি গুগল আর্থ(Google Earth) ব্যবহার করেছি । হতে পারে সেটা কম্পিউটারে ওয়েবসাইটে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর মাধ্যমে । কখনো কি ভেবে দেখেছি গুগল আর্থে পৃথিবী দেখতে যেরকম বাস্তবে পৃথিবীতে সেরকমই দেখা যায় ? উত্তরটা হলো "না' । বাস্তবের পৃথিবীতে একেক স্থানে একেক ঋতু বিদ্যমান থাকলেও গুগল আর্থে বিদ্যমান পৃথিবীতে পুরো জায়গা জুড়ে বসন্তকাল । সেজন্য বাস্তবের পৃথিবী তে অনেক মেঘ দেখা যায় কিন্তু গুগল আর্থে কোন মেঘ দেখা যায় না , সম্পূর্ণ পরিষ্কার । যেহেতু তারা বিমান চালিয়ে থ্রিডি ইমেজ সংগ্রহ করে তাই তাদের প্রয়োজন পরিষ্কার আকাশ । এজন্যই গুগল ম্যাপসে বা...