Skip to main content

Offline Week: The Internet BlackOut Moments (Part 1)

 August 30, 2024

 ·

Offline Week: The Internet BlackOut Moments (Part 1)

•23rd July, 2024 Tuesday 

•06:12 AM

ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি এর যুগে এসেও যদি লম্বা একটা সময় অফলাইনে, একদম পুরোপুরি অফলাইনে চলে যাওয়া যেত??? অনলাইন সিস্টেম এর উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীলতা ছেড়ে অফলাইন লাইফস্টাইল টা কেমন হতো?? প্রোডাক্টিভিটি, Entertainment এইগুলোর উপর কেমন প্রভাব পড়তো? 

আজকে ঠিক‌ সেটা নিয়েই বলতে চাই , যে ইন্টারনেট না থাকার বদৌলতে ঠিক কি কি হয়েছিল ! 

শিক্ষার্থীরা কো-টা নিয়ে তাদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য আন্দো-লন এর ডাক দিলে কতিপয় সশ-স্ত্র বাহি-নী তাদের উপর আক্র-মণ করে । শিক্ষার্থীদের এই আন্দো-লন কে বা-নচাল করে দেয়ার উদ্দেশ্যে, জনগণের সামনে থেকে দেশমাতৃকার অবস্থা গোপন করতে গত ১৭ তারিখ মধ্যরাত থেকে মোবাইল ডাটা কানেক্টিভিটি এবং ১৮ তারিখ সন্ধ্যার পর থেকে 

ওয়াইফাই সহ সকল প্রকার ব্রডব্যান্ড কানেকশন, মোটকথা সর্বপ্রকারের ইন্টারনেট কানেকশন মেথড বন্ধ করে দেওয়া হয় । এতে সমগ্র বাংলাদেশ এর জনগণ অফলাইনে চলে যায় , বহির্বিশ্বে কানেক্টেড থাকার সর্বশেষ মাধ্যমটিও বন্ধ হয়ে যায়, অর্থাৎ ইন্টারনেট লকডাউন এর মাঝে পড়ে যাই আমরা । এই সময়টায়, যখন আমরা সবাই সবার থেকে বিচ্ছিন্ন, অনেক কিছু ঘটে যায়। 

কোটা আন্দোলন এর শুরু থেকে,অসংখ্য ভাই ও বোন রা-স্তায় নেমে ফ্রন্টলাইনে এ ছিলেন,ন্যায্য অধিকার পেতে গিয়ে প্রা-ণ হারা-ণ অনেকেই, আল্লা-হ তাদের শহি-দী মর্যাদা নসীব করুন, জান্না-তের উচ্চ মাকা-ম দান করুন এবং তাদের পরিবারকে ধৈর্য্য ধারণ করার তৌফিক দিন। আর যারা আহত, জীবিত আছেন, আল্লাহ পাক তাদের দ্রুত সুস্থতা ও শেফা দান করুন।শহীদদের বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা আমাদের পুরো জাতিকে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করুন (আমীন)। আর যারা আক্রমণ করেছিল তাদের উপর লা-নত, তারা ধ্বং-স হোক!

আমি আগে ভাবতাম, "Life is impossible without internet connectivity", কিন্তু না, ইন্টারনেট ছাড়াই Life is beautiful, আমার ধারনাটা পাল্টে যায় ,  তবে অসংখ্য স-মস্যা ফেইস করতে হয়েছে ইন্টারনেট না থাকায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। 

"You feel you are mistaken(by something or someone or some power), blinded to your brilliance, ignorant of your genius, unaware of your true power and magnificence"- উক্তিটি একটা গভীর অর্থ বহন করে, সারমর্ম হলো বাস্তবতা, সমৃদ্ধি থেকে আপনাকে দূরে রাখা হয়েছে, তথাকথিত Global Village এর নামে। 

কিছু বিষয়ে স্পেসিফিকভাবে বোঝার সুবিধার্থে আমি পয়েন্ট আকারে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরবো, আশা করি শেষ পর্যন্ত একবার চোখ বুলিয়ে নেবেন। 

১. সারাদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক সময় নষ্ট হতো, Facebook , YouTube এ রিলস দেখা তো বাজে একটা অভ্যাস, একবার স্ক্রলিং শুরু করলে এর শেষ নেই। আর মেসেঞ্জারে দীর্ঘক্ষণ মেসেজিং এ ব্যস্ত থাকা। এইসব কাজকে বলে Social Dilemma। এর প্রভার আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ভয়াবহ, তা আমরা আমাদের ব্রেইনকে বুঝতে পারার জন্য এই ফুসরত টুকু ও দেই না যে আসলে আমরা আমাদের কতটুকু ক্ষতি করছি, এই মূল্যবান সময় এর জবাব কী দিব?

তো তখন সারাদিন কি কি কাজ করলাম দিনশেষে সেই হিসেব মেলাতে কষ্ট হতো । তবে ইন্টারনেট না থাকার সুবাদে এই দিকের সময় নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছে, আমার Screen On Time(SOT) ১ ঘন্টায় নেমে আসে , যেখানে আগে ৮-১২ ঘন্টা ছিল , অর্থাৎ দিনে আমার সর্বোচ্চ ১ ঘন্টা ফোন ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়েছে । এবং এই সময়টুকু আমি অন্য কোনো প্রোডাক্টিভ কাজে ব্যয় করতে পেরেছি। 

২.ইসলাম প্র্যাকটিসিং বৃদ্ধি পেয়েছেঃ

 ধর্ম প্র্যাকটিস আমাদের Mindful করে, Mindfulness মানে হচ্ছে, " মনোযোগ, নিজের ভেতর এবং নিজের আশেপাশে ঐ মুহুর্তে কি ঘটছে তার ব্যপারে পুরোপুরি সচেতন থাকা।"

এই যে আমরা নামা-জ পড়ি, আল্লা-হর এবাদত করি, আমল করি, এইসবের মাধ্যমে আমাদের Mindfulness এর চর্চা হয়, এক র-বের নিকট নিজেকে সঁপে দেয়ার মাধ্যমে। আমরা যদি‌ প্রকৃত অর্থেই দ্বী-নের চর্চা করি , এর মানে দাড়ায় সর্বদা মস্তিষ্ক কে সচেতন রাখা এইজন্য যে আল্লা-হ ও তার রা-সূল আদেশ করেছেন কোন কাজটা আর নিষেধ করেছেন কোন কাজটা । মস্তিষ্ককে এভাবে সজাগ ও সচেতন রাখার মাধ্যমে আল্টিমেটলি Mindfulness টা প্র্যাক্টিস হয়ে যায়। একই সাথে পাপ থেকে বেঁচে থাকা যায় ।

অনলাইন থাকার দরুন, আমাদের মাঝে ফিতনা-ফ্যাসাদ ছড়িয়ে পড়তো বেশি পরিমাণে, চাইলেই হয়তো আমরা হয়তো ১৮+ কনটেন্ট এ হারিয়ে যেতাম, আরো অনেক পাপাচারে লিপ্ত হতাম, এই কিছুদিন অফলাইনে থাকার সুবাদে তা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব হয়েছে । 

আমেরিকান কিছু গবেষক দেখেছেন এই Mindfulness এর মাধ্যমে মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ( Relieve stress ) , উচ্চ রক্তচাপ দূর করতে সহায়তা করে । 

 আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন, আপনার ধর্ম আপনাকে Mindfulness শেখায়। আপনার ইন্দ্রিয় সজাগ থাকা শেখায় । তাই নিজ নিজ ধর্ম পালন করার দ্বারা জীবনে উন্নতি আনা সম্ভব। 

২. Distortion-free mind setup: 

অনলাইন এ থাকার দরুণ , বিশেষ করে ফেইসবুক সহ যাবতীয় সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের বিক্ষিপ্ত মনস্তত্ত্ব এর জন্য দায়ী, আমাদের চিন্তাশক্তি এর উপরও প্রভাব ফেলে। এই কিছু দিন অফলাইনে থাকার সুবাদে ফোকাসিং টা বেড়েছে , মনোযোগের উন্নতি হয়েছে , যেহেতু অনলাইনের অপ্রয়োজনীয় কনটেন্ট ভোগ করা থেকে মস্তিষ্ককে বিরত রাখা গিয়েছে ।

৩. Change in Lifestyle: যাস্ট ভাবুন। আপনার ফোন এ কোনো নেট কানেকশন নেই , আপনি বোরিং ফিল করছেন, ছেলে হলে , আপনি নিঃসন্দেহে বেশিরভাগ সময়ই ঘরের বাইরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছেন, বা ঘুরতে যাচ্ছেন, বন্ধুদের সাথে খেলায় মেতে উঠছেন । মেয়ে হলে, আপনি হয়তো ক্রাফট এর কাজ করছেন, বা যেকোনো শিল্প যেটা আপনি ফুটিয়ে তুলছেন  আপন মনে, সেদিকে মন দিচ্ছেন বা পরিবারকে সহযোগিতা করছেন। অনলাইন থাকলে আপনি কি‌ এই পুরোটা সময় উক্ত কাজগুলো তে ব্যায় করতে পারতেন? নাকি রিলস দেখে, মুভি দেখে সময় নষ্ট করতেন?‌ নিজেকে প্রশ্ন করুন। 

আমি বই পড়েছি, বিখ্যাত ব্যাক্তিদের লেকচার শুনেছি ও  তাদের লম্বা কিছু রেকর্ডেড Session করার ও সুযোগ হয়েছে(আগেই PC-তে Downloaded ছিল), লেখালিখি করেছি টুকটাক, ইতিপূর্বে আমি লিখতে পারলেও সময় দিতে পারতাম না ( Because of the wastage of productive time in many useless things and more) , এই কিছু সময়, বেশ ভালো লেখা চর্চাই করা গেছে অন্তত। এর বাইরে আরো কিছু প্রোডাক্টিভ কাজে সময়টাকে ব্যায় করা গেছে। এখন আমার আফসোস হয় যে, করোনাকালীন সময় এ আমি এইভাবে ভাবি নি কেন 😨 

৪. Increasing Sense about Surroundings: 

এই ব্যপারটা ইন্ট্রোভার্ট দের সাথে যায় বেশি, বিশেষত যারা একটু Thoughtful Minded বা গভীর চিন্তা-চেতনা বিদ্যমান আছে যাদের ।

জানালা দিয়ে তাকিয়ে আপনি নীরবে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

যারা ভাবতে ভালোবাসেন, আপনার ভাবনা ও অবচেতন মন অনেক দূরে দৃষ্টি ফেলতে পারছে, তাই নাহ? মন যদি বিক্ষিপ্ত হতো তবে আপনার দৃষ্টি এতো দূর যেতো কী? 

 কারো কারো ক্ষেত্রে এইটা কবি মনে সুড়সুড়ি ও দিতে পারে, আপনি এই মুক্ত সময়টাকে কাজে লাগিয়ে হয়ে উঠতে পারেন লেখক ও কবি,  আপনার মাঝে আপনি যেকোন শৈল্পিক ক্যারেক্টার এর জন্ম দিতে পারেন, আপনাকে যাস্ট একটু আপনার সেন্স বা অনুভূতি এর দিকে নজর দিতে হবে , এই অফলাইনের সময়ে তা সম্ভব।

আমার কাছে ইন্টারনেট কে Fake বা ভুয়া মনে হয়, গ্লোবাল ভিলেজ কে একটা ভুয়া পৃথিবী মনে হয় (প্রকৃতপক্ষেও ভুয়া), আপনি অনলাইনে চোখের সামনে যা দেখতে পান এর অনেক কিছুই বাস্তবে Exist করে না । কিন্তু আমরা এমন জাতি , যারা Global Village এ থাকতেই ভালোবাসি, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে নকলভাবে উপস্থাপন করতেই আমরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি । আর ধীরে ধীরে আমরা বাস্তব জগত থেকেই দূরে সরে যাচ্ছি । 

কিন্তু Wait!!! বাস্তবতায় আসুন, আপনার চারপাশে যে দুনিয়াটা আছে সেটা ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড থেকেও সুন্দর । গত কিছুদিন অফলাইনে থাকার দরুণ আমি নিজেও বুঝতাম না‌ যে আশেপাশের পৃথিবীটা এতো সুন্দর হতে পারে। 

আমি যেটা ভাবলাম আপনি হয়তো সেভাবে কখনো ভাবেননি,  কারণ আমার আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ও চিন্তাধারা সেইম না-ও হতে পারে। কিন্তু কথাগুলো আপনার সাথে একটু কো-রিলেট করে নিবেন । 

৫. Sleep Cycle বা ঘুমচক্রঃ অনলাইনে থাকা সময়গুলোতে ঘুমাতে দেরি হতো, কারণ একটাই , সীমাহীন বিনোদন এর জন্য আমরা ঘুমটাকেও বিসর্জন দিয়ে দিতাম । 

এখন অফলাইনে থাকার সুবাদে ঘুম ভালো হচ্ছে, Sleeping Cycle টাও স্বাভাবিক হয়েছে । 

রাত জাগার পরিমাণ একদমই কমে গিয়েছে, অবশ্য রাত জাগাটা স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। আর ভোরবেলা ঘুম থেকে ওঠার ফজিলত হলো, এই সময় আপনার ব্রেইনে Alpha Wave তৈরি হয় , এতে আপনি‌ ৪ ঘন্টার পড়া এক ঘন্টায় পড়ে শেষ করতে পারবেন।

শেষ পর্যন্ত আসার জন্য কৃতজ্ঞ, আমি কোনো লেখক নই, কিন্তু লেখক না হলেও লিখতে তো বাধা নেই, মনের ভাব প্রকাশে লেখনীর বিকল্প কিছু নেই। I'm exhausted for now .. স্বাধীন বাংলা দেখার অপেক্ষায়....(To be continued)


Comments

Popular posts from this blog

কাঁদলে হালকা অনুভুত হয় কেন?

চিত্রঃ শিশুর স্বাভাবিক কান্না কান্নায় যেন এক অন্যরকম সুখ আছে, তাই তো আমি কাঁদতে এত ভালোবাসি। মানবজীবনে সুখ-দুঃখ যেন এপিঠ ওপিঠ। কখনো সুখ-শান্তি আসে আর কখনো বা হতাশা-শোক-দুঃখ আমাদের জর্জরিত করে ! এই হতাশা কিংবা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে। তো এত চোঁখের জল ফেলেই কি লাভ ? কান্না একটি জটিল ও অদ্বিতীয় মানবিক আচরণ, যার শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটি আমাদের চাপ মোকাবেলা করতে, আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে ।  কিছু প্রখ্যাত গবেষকদের মতে, কান্নার ফলে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, এই হরমোন দুইটি আমাদের কে প্রশান্তি এনে দিতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে, আমাদের মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোন ও টক্সিক উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিয়ে ফুরফুরে মেজাজ তৈরি করে। সাথে সাথে শারীরিকভাবেও সুস্থ রাখে।  তবে সব কান্নাই উপকারী নয়, কখনো কখনো কান্না বিষন্নতা, উদ্বেগ এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর মত জটিল মানসিক রোগের উপসর্গ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই যে কেউ কাঁদতে পারে, তাই তখন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ...

পৃথিবীতে কোনো অনুজীব না থাকলে মানুষের পুষ্টি ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিতো কি?

আচ্ছা ভেবে দেখুন তো, যদি পৃথিবীতে কোন অণুজীব না থাকতো, সবই যদি দৃশ্যমান হতো তাহলে কেমন হতো? আদৌ কি আমাদের মানবজাতির অস্তিত্ব থাকতো ? চিত্রঃ অনুজীব চিত্রঃ পাচনতন্ত্রে অণুজীবের ভূমিকা শুধু এটাই ভেবে দেখুন, মানুষের পুষ্টি ও বিপাক ক্রিয়ায় কোন সমস্যা হতো কিনা ! উত্তর হলো, হ্যাঁ । মানুষের বিপাক ক্রিয়ায় কোটি কোটি অণুজীব ভূমিকা রাখে । একই সাথে তারা ভূমিকা পালন করে পুষ্টি প্রক্রিয়ায় । আমরা যে খাবার খাই তার পরিপাক মুখের গহ্বর থেকে শুরু করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত চলে । বিভিন্ন ধরনের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, আবারো বলছি , "উপকারী" ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে খাবার পরিপাক ও তা থেকে পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য । তাদের কেউ শর্করা, কেউবা আমিষ এবং কেউ কেউ স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাকে নিয়োজিত । খাবারের কণাকে ভেঙে তা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তা সরাসরি রক্তে পৌঁছে দেয় এই উপকারী অনুজীব সমূহ , রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে সারা দেহে উক্ত পুষ্টি উপাদান সমূহ পৌঁছে যায় দেহের প্রতিটি প্রান্তে বিদ্যমান কোষসমূহে । অতঃপর কোষের বিকাশ সাধন হয় এবং সর্বোপরি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং উন্নতি সাধন হয় । অনুজীব এর অস্...

All about Google Earth !

  পুরো পৃথিবীটা যখন হাতের মুঠোয়..... "মাঝে মাঝে আমি নিজের খেয়ালে হারিয়ে যাই এক অজানা দেশে, হারিয়ে যাব শতকোটির আলোকবর্ষ দূরে!" হারিয়ে যেতে চান, তাহলে চলুন দেখি হারিয়ে যেতে চাইলে কি করবো । Google Earth Homepage একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে গুগল ম্যাপ হলো পৃথিবীতে আপনাকে খুঁজে পাওয়ার জায়গা । আর গুগল আর্থ হল এই বিরাট পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়ার জায়গা । এই গুগল আর্থ ই আপনাকে সাহায্য করবে অজানার ডুব দিতে । আমরা সবাই কমবেশি গুগল আর্থ(Google Earth) ব্যবহার করেছি । হতে পারে সেটা কম্পিউটারে ওয়েবসাইটে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর মাধ্যমে । কখনো কি ভেবে দেখেছি গুগল আর্থে পৃথিবী দেখতে যেরকম বাস্তবে পৃথিবীতে সেরকমই দেখা যায় ? উত্তরটা হলো "না' । বাস্তবের পৃথিবীতে একেক স্থানে একেক ঋতু বিদ্যমান থাকলেও গুগল আর্থে বিদ্যমান পৃথিবীতে পুরো জায়গা জুড়ে বসন্তকাল । সেজন্য বাস্তবের পৃথিবী তে অনেক মেঘ দেখা যায় কিন্তু গুগল আর্থে কোন মেঘ দেখা যায় না , সম্পূর্ণ পরিষ্কার । যেহেতু তারা বিমান চালিয়ে থ্রিডি ইমেজ সংগ্রহ করে তাই তাদের প্রয়োজন পরিষ্কার আকাশ । এজন্যই গুগল ম্যাপসে বা...