Skip to main content

Posts

অনাঘ্রাত অভিলাষ

  March 31, 2024  · #Retracing_2022  Date: 31 March, 2022 বন্ধু Nafis Iqbal  মনে আছে তোর?  অত্যধিক রাত জাগাটা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। দেখতে দেখতে সময় ও শেষ । এখন শুধু এক ঘন্টার একটা পরীক্ষা। না, পরীক্ষা না, এটা একটা যুদ্ধ । আর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এর এক ভাইয়ের থেকে পাওয়া মোটিভেশন এ উড়তেছিলাম literally । কিন্তু সেটাকে প্রকৃত আকাঙ্ক্ষা ধরেই নিয়েছিলাম ।  তো রাত পের হলেই পরীক্ষা, আর তো পড়া হচ্ছে না, কেবল হিসাব মিলাতে ব্যস্ত ! হিসাবের খাতায় শূন্যতার ছোঁয়া। মনে হয় আরো খাটুনি দরকার ছিল । খুব চিন্তিত! এখন চৌকস বুদ্ধিতে পার পাইলেই ব্যাস, চিন্তামুক্ত!  কিন্তু ঘুম আসছিল না, Possible Reason Insomnia, যেখানে ফজরের নামাজের পর ঘুমিয়ে অভ্যাস, সেখানে ঘুমাতে যাচ্ছি রাত দশটায় , কারণ সকাল ৮:৪৫ এ বের হতে হবে আর দশটায় পরীক্ষা ।  বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করলেও ঘুম আসে না, না কোনোভাবেই ঘুম আসছে না। কী করবো এখন? বৃহস্পতিবার রাত ! জানালা হয়ে বাইরে জোৎস্নার আলো তে চাঁদের দিকে চেয়ে থাকি। আবার ঘুমানোর চেষ্টা করি । রব নিশ্চয়ই আমাকে নিরাশ করতে পারেন না ! তিনি...

Message for 2025

  January 30, 2025  · Shared with Public ২৬-০১=২৫ (-১)(বিয়োগ) / (26/01/2025) ২৪ থেকে ২৫ এ আসতে, কিছু বিয়োজন করতে হয়েছে , প্রাপ্তি থেকে অপ্রাপ্তি-ই বেশি। -, - এবং আবারো মাইনাস, নাটকীয়তা, উৎকন্ঠা, আবেগ, অনিশ্চিয়তা সব কিছুর সমন্বয়ে বিয়োগ টাই এগিয়ে!  আগামীতে একটাই কামনা থাকুক, শুধু আমার রবেরই মুখাপেক্ষী থাকা সকল কিছু তে... হিসেবের খাতা খুলে গত এক বছরের দেনা-পাওনা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, প্রত্যাশা ও তার পরিপূর্ণতা, এসব হিসেব নিকেশ করতে বসলেই চোঁখের সামনে হয়তো ভেসে ওঠবে সব.... মেলেনা কিছুই। ফলাফল হয় শূন্য, না হয় ঋণাত্মক। তবুও আশায় নাকি বাঁচে মানুষ, ধ্বংসস্তূপ থেকে হাত বাড়িয়ে দেয় , অন্ধকারে চোখ মেলে আলোর আশায়, মহাসমুদ্রে ঝাপ দেয় নতুন কূলে পৌঁছাতে। তাই, আমাদের সকলের প্রত্যাশা হোক উর্ধ্বমুখী.... বাকীটা নাহয় মহান আল্লাহর উপর ভরসা করে রাখা হলো ! জন্ম তারিখ আসা হলো আন্দাজ করতে পারা,  যে আমরা মৃত্যু এর দিকে এক ধাপ এগিয়ে গিয়েছি , মৃত্যু-The Ultimate Destination of our life- যেখানে ইহজাগতিক সব কিছুর সমাপ্তি, পরকাল/বারযাখ এর সূচনা! অথচ আমরা বেখেয়াল........ এভাবেই এ...

ভাগ্য !!

  February 26, 2025  · Shared with Public Captured on: 26/02/2025 আপনার ভাগ্য আপনি নির্ধারণ করতে পারবেন না কখনোই ! আপনি জানেন, আপনি নিজেকে নিজে ঠকাননি, নিজের সাথে বেইমানি করেন নি, কিন্তু পৃথিবী আপনাকে ঠকিয়ে দেয় ! কখনো কখনো ভাগ্যের কাছে হেরে যেতে হয়, এতে আপনার কিছু ই করার থাকে না! যেমন দেখা গেলো কেউ সম্পুর্ণ প্রিপারেশন নিয়ে এক্সাম দিতে গেল, কিন্তু এমন কিছু ঘটনার সম্মুখীন হলো যা সে ভাবতে পারেনি, অথচ আরেকজন মাত্র এক ঘন্টার প্রিপারেশন নিয়েই হাসিমুখে এক্সাম হল থেকে বের হল ! এই দুই ক্ষেত্রেই সে তার ভাগ্যের কাছে ধরাশায়ী, একজন হাসিমুখে গিয়ে হাসিমুখ নিয়ে ফিরতে পারে না, দ্বিতীয়জন পারলো....... এরকম শতো শতো উদাহরণ চারপাশে আছে! আপনি যখন চেষ্টায় ব্যর্থ হবেন কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত/অনিচ্ছাকৃত ঘটনার জন্য, এর দায়ভার কাকে দিবেন? একটা এক্সাম কখনোই মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে না !  তারিখটা লিখে রাখলাম, আজ থেকে ৫-১০ বছর পর যখন ফেইসবুক মেমোরি আসবে তখন দেখতে চাই একটা এক্সাম ঠিক কতটুকু ইফেক্ট করতে পারে কারো ভাগ্যকে....... ০৬:৫৫ PM ২৬/০২/২০২৫

All about Google Earth !

  পুরো পৃথিবীটা যখন হাতের মুঠোয়..... "মাঝে মাঝে আমি নিজের খেয়ালে হারিয়ে যাই এক অজানা দেশে, হারিয়ে যাব শতকোটির আলোকবর্ষ দূরে!" হারিয়ে যেতে চান, তাহলে চলুন দেখি হারিয়ে যেতে চাইলে কি করবো । Google Earth Homepage একটি বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে গুগল ম্যাপ হলো পৃথিবীতে আপনাকে খুঁজে পাওয়ার জায়গা । আর গুগল আর্থ হল এই বিরাট পৃথিবীতে হারিয়ে যাওয়ার জায়গা । এই গুগল আর্থ ই আপনাকে সাহায্য করবে অজানার ডুব দিতে । আমরা সবাই কমবেশি গুগল আর্থ(Google Earth) ব্যবহার করেছি । হতে পারে সেটা কম্পিউটারে ওয়েবসাইটে কিংবা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস এর মাধ্যমে । কখনো কি ভেবে দেখেছি গুগল আর্থে পৃথিবী দেখতে যেরকম বাস্তবে পৃথিবীতে সেরকমই দেখা যায় ? উত্তরটা হলো "না' । বাস্তবের পৃথিবীতে একেক স্থানে একেক ঋতু বিদ্যমান থাকলেও গুগল আর্থে বিদ্যমান পৃথিবীতে পুরো জায়গা জুড়ে বসন্তকাল । সেজন্য বাস্তবের পৃথিবী তে অনেক মেঘ দেখা যায় কিন্তু গুগল আর্থে কোন মেঘ দেখা যায় না , সম্পূর্ণ পরিষ্কার । যেহেতু তারা বিমান চালিয়ে থ্রিডি ইমেজ সংগ্রহ করে তাই তাদের প্রয়োজন পরিষ্কার আকাশ । এজন্যই গুগল ম্যাপসে বা...

কাঁদলে হালকা অনুভুত হয় কেন?

চিত্রঃ শিশুর স্বাভাবিক কান্না কান্নায় যেন এক অন্যরকম সুখ আছে, তাই তো আমি কাঁদতে এত ভালোবাসি। মানবজীবনে সুখ-দুঃখ যেন এপিঠ ওপিঠ। কখনো সুখ-শান্তি আসে আর কখনো বা হতাশা-শোক-দুঃখ আমাদের জর্জরিত করে ! এই হতাশা কিংবা দুঃখের বহিঃপ্রকাশ ঘটে কান্নার মাধ্যমে। তো এত চোঁখের জল ফেলেই কি লাভ ? কান্না একটি জটিল ও অদ্বিতীয় মানবিক আচরণ, যার শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। এটি আমাদের চাপ মোকাবেলা করতে, আমাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে ।  কিছু প্রখ্যাত গবেষকদের মতে, কান্নার ফলে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, এই হরমোন দুইটি আমাদের কে প্রশান্তি এনে দিতে সাহায্য করে এবং ব্যথা উপশম করে, আমাদের মানসিক চাপের জন্য দায়ী হরমোন ও টক্সিক উপাদানকে দেহ থেকে বের করে দিয়ে ফুরফুরে মেজাজ তৈরি করে। সাথে সাথে শারীরিকভাবেও সুস্থ রাখে।  তবে সব কান্নাই উপকারী নয়, কখনো কখনো কান্না বিষন্নতা, উদ্বেগ এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডার এর মত জটিল মানসিক রোগের উপসর্গ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে কোনো কারণ ছাড়াই যে কেউ কাঁদতে পারে, তাই তখন পেশাদার সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত। ...

পৃথিবীতে কোনো অনুজীব না থাকলে মানুষের পুষ্টি ও বিপাক প্রক্রিয়ায় কোনো সমস্যা দেখা দিতো কি?

আচ্ছা ভেবে দেখুন তো, যদি পৃথিবীতে কোন অণুজীব না থাকতো, সবই যদি দৃশ্যমান হতো তাহলে কেমন হতো? আদৌ কি আমাদের মানবজাতির অস্তিত্ব থাকতো ? চিত্রঃ অনুজীব চিত্রঃ পাচনতন্ত্রে অণুজীবের ভূমিকা শুধু এটাই ভেবে দেখুন, মানুষের পুষ্টি ও বিপাক ক্রিয়ায় কোন সমস্যা হতো কিনা ! উত্তর হলো, হ্যাঁ । মানুষের বিপাক ক্রিয়ায় কোটি কোটি অণুজীব ভূমিকা রাখে । একই সাথে তারা ভূমিকা পালন করে পুষ্টি প্রক্রিয়ায় । আমরা যে খাবার খাই তার পরিপাক মুখের গহ্বর থেকে শুরু করে পাকস্থলী ও অন্ত্র পর্যন্ত চলে । বিভিন্ন ধরনের উপকারী ব্যাকটেরিয়া, আবারো বলছি , "উপকারী" ব্যাকটেরিয়া উপস্থিত থাকে খাবার পরিপাক ও তা থেকে পুষ্টি সরবরাহ করার জন্য । তাদের কেউ শর্করা, কেউবা আমিষ এবং কেউ কেউ স্নেহ জাতীয় খাবার পরিপাকে নিয়োজিত । খাবারের কণাকে ভেঙে তা থেকে পুষ্টি সংগ্রহ করে তা সরাসরি রক্তে পৌঁছে দেয় এই উপকারী অনুজীব সমূহ , রক্ত ও লসিকার মাধ্যমে সারা দেহে উক্ত পুষ্টি উপাদান সমূহ পৌঁছে যায় দেহের প্রতিটি প্রান্তে বিদ্যমান কোষসমূহে । অতঃপর কোষের বিকাশ সাধন হয় এবং সর্বোপরি আমাদের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে এবং উন্নতি সাধন হয় । অনুজীব এর অস্...

Last day at SSNIC _ সমাচার

  October 25, 2021  · Shared with Public শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ , এটা একটা প্রাণের স্পন্দন । গতকাল সকাল থেকে চরম উৎসাহ এবং আনন্দের সাথে বন্ধুদের সাথে সময় পার করেছি ! করোনা পরিস্থিতির জন্য মাত্র সাত থেকে আট মাস ক্লাস করার সুযোগ পেয়েছিলাম , এই সময়ে খুব বেশি সংখ্যক বন্ধু হয়নি আমার । কিন্তু লকডাউন চলাকালীন সময়ে ফেসবুকে আসার পর আমার অনেক অনেক বন্ধু হয়েছে । কাউকে হেল্প করেছি কিংবা কেউ কেউ আমাকে অনেক হেল্প করেছে । তার উপরে বড় কথা তাদের অনেকের সাথেই অনেক ফিলিংস শেয়ার করতে পেরেছি 😃 তারাও আমার সাথে তাদের ফিলিংস শেয়ার করেছে। বেশ কিছু মানুষকে কেবল ভার্চুয়াল জগতে চিনতাম , তাদেরকে গতকাল বাস্তবে দেখার সুযোগ হয়েছে । বেশকিছু নাম যেগুলো আমাদের প্রায় সবারই পরিচিত যেমন যুবাইর মাহমুদ নির্যাস কিংবা তানজিম আশরাফ রাতুল  , মোস্তফা খালেদ বিন শামস💕💕 সহ আরো অনেক বন্ধুকেই ভার্চুয়াল জগতের বাইরে বাস্তব জগতে দেখতে পেয়েছি । তবে ডি এবং ই সেকশনের যাদের সাথে আমি ফেসবুকে পরিচিত তাদের কাউকেই আমি বাস্তবে দেখিনি এবং দেখার প্রশ্নও আসেনা 😣বেশ কয়েকটা নাম যেমন পুষ্পিতা , প্রাপ্তি ,  হৃদ...

সঙ্গীত আসক্তি ও অনুশোচনা

  💚 আমি আপনাকে বলছি আমি সঙ্গীতে আসক্ত ‌ । সকাল 8 টা থেকে 1 টা পর্যন্ত প্রচুর ব্যস্ত সময় পার করার পর সিএনজি দিয়ে আসার সময় মানসিক বিশ্রাম এর প্রয়োজন মনে করলাম ‌ । তো এজন্য প্রথমে পছন্দের আরবি ইংলিশ সংগীত শুনতে লাগলাম এরপর হঠাৎ করে মিশারি আলফাসি এর কথা মনে হলো । তারপর উনার একটি নাত প্লে করলাম । কানে হেডফোন লাগানো ছিল । হুট করেই আমার সমস্ত অনুভূতি পরিবর্তন হয়ে যায় ‌। এরপর উনার তিলাওয়াত ইউটিউব থেকে বের করে শুনতে শুরু করলাম । এক আশ্চর্যজনক অনুভূতি শুরু হলো । সত্যি কথা আলিফ ভাই মনে হচ্ছিল আমার শরীরের ভেতর কোন এক ক্ষুধা মিটে যাচ্ছে । আমি পুরো গাড়ি সূরা আর রহমান শুনে শুনে বাড়ি এলাম । সাথে সাথে প্রচন্ড ভালো লাগতেছিল একই সাথে আবেগে চোখ ভিজে যাচ্ছিল ❤️ এর পর মনে হল বহুদিন দেহমনকে সর্বোত্তম খাদ্য প্রদান করা হয়নি যেটা আজকে প্রদান করলাম । সকালে তেমন কিছু খাইনি তাই প্রচন্ড ক্ষুধা লাগছিল । কিন্তু তেলাওয়াত শোনার পর মনে হচ্ছিল ক্ষুধা মিটে যাচ্ছে আস্তে আস্তে ।  সত্যি কথা আমি এখন আমার অবসর সময় কে এবং বিশেষ মুহূর্ত যেমন বৃষ্টির সময় কিংবা জার্নি করার সময় তেলাওয়াত শোনার কাজে ব্যয় করব...

Hardest programming language in the world

  June 17, 2021  · আপনি জানেন কি ? পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো Malbolge প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ । জ্বি , হ্যাঁ । বেন ওয়েলমস্টেড কর্তৃক ১৯৯৮ সালে ল্যাঙ্গুয়েজটি আবিষ্কৃত হয় । মজার ব্যাপার হলো , এই ভাষায় প্রথম প্রোগ্রামটি নির্মাণ করতে দুই বছর লেগেছিল । তাও আবার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কর্তৃপক্ষ নিজে প্রোগ্রামটি লিখতে পারেন নি । প্রোগ্রামটি উৎপন্ন করা হয়েছিল LISP প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ডিজাইনকৃত "Beam search" অ্যালগরিদম এর মাধ্যমে ।

Cryosurgery Story

২০৫০ সাল ।। গতকাল সারা দিন প্রচণ্ড তুষারপাত হয়েছে । আজকে তো কলেজে যেতেই হবে । দেরি হয়ে গেছে । প্রস্তুত হতে লাগলাম । খুব তাড়াহুড়ো ।  সারা গায়ে নেভি ব্লু পোশাক । নেভি ব্লু জ্যাকেট , নেভি ব্লু হাত মোজা , পা মোজা । আইফোন ৫০ প্রো ম্যাক্স হ্যাকার আল্ট্রা ফোনটা সুইচ অফ করে বালিশের নিচে রেখে বের হয়ে পড়লাম রাস্তায় । রাস্তায় কোনো গাড়ি নেই আপাতত । কলেজ রোডের এককালের ঝাড়ুদারও এখন টয়োটা গাড়ির মালিক । এরকম অনেক গাড়ি বরফে ঢাকা পড়েছে । রহিম মামার ফুচকার দোকান টি এখন ফাইভ স্টার হোটেল । এত কিছুর দিকে না তাকিয়ে জোরে হাঁটতে লাগলাম । ১০ মিনিট অলরেডি চলে গেছে । গেটের সামনে বাবু ভাই । আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল । আমি ব্যাপারটা বুঝলাম না । - বাবু ভাই তোমার বাবি কই ? - ক্যান তাতে তোমার কি ? - না মানে জিগাই আরকী !!! পরক্ষণে বাবু ভাই আমার হাত দেখে চমকে উঠলো ।।। - ওই মিয়া তোমার হাতে কি হইসে ? - কেন কি হইসে ? - তোমার আঙ্গুল কই মিঞা ??? হাত দেখে আমিও চমকে উঠলাম । ডান হাতে চারটি আঙ্গুল । পড়ে মনে হল হাতমোজা টি একটু ছেঁড়া ছিল যার জন্য আঙ্গুলটি বেরিয়ে পড়েছিল । কখন যে বরফে রূপান্তরিত হয়ে...

I Pet Goat II (conspiracy)

#prediction #mythological #mystery 2012 সালে মুক্তি পাওয়া লুইস লেফেব্রে পরিচালিত কানাডিয়ান শর্ট অ্যানিমেটেড কার্টুন ফিল্ম i pet goat 2 , যেখানে 2000 সাল থেকে 2012 সাল পর্যন্ত ঘটে যাওয়া ঘটনা এবং 2012 পরবর্তী বেশ কিছু ঘটনার প্রেডিকশন দেওয়া হয়েছে বলে অনেকে দাবি করে । এনিমেশনে আমেরিকার  সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ  থেকে বারাক ওবামা সময় পর্যন্ত এবং এর পরবর্তী কিছু সময় দেখানো হয়েছে ।  ভিডিওটি অনেক বেশি ব্যাখ্যা পূর্ণ কারণ শুরুর দিকটা জর্জ ডব্লিউ বুশ , 9/11 এবং ওসামা বিন লাদেন কে নিয়ে । আর শেষ দিকটায় কিছু ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হচ্ছে 2012 সালে তৈরি ভিডিওটিতে নটরডেম ক্যাথেড্রাল ভেঙ্গে পড়ার একটি এনিমেশন দৃশ্য দেখানো হয়েছিল , যে ঘটনাটি 2019 সালে ঘটে ।  ভিডিওটির সাথে এলোমিনাতি সহ অনেক কিছু বর্ণনা রয়েছে যেগুলো আমাদেরকে এক রহস্যময় জগতে নিয়ে যায় ।  আপনি চাইলে এনিমেশন টির পাশাপাশি ডিস্ক্রিপশন দেখে নিতে পারেন । I pet goat 2 :https://m.youtube.com/watch?v=65xLByzT1l0&t=129s I pet goat 2 explained in Bengali:https://m.youtube.com...

2020 Pandemic Moments!!

  "সৈয়দ নজরুল কলেজের বিজ্ঞানের ছাত্র" কথাটি খুব শীঘ্রই অতীত হয়ে যাবে । আজ থেকে এক বছর পর এইচএসসি পরীক্ষার হলে বসে মনে হবে আজকের দিনের কথা , যখন লকডাউনে ৩ মাস ঘরে বসে থেকে বা ঘুমিয়ে কেটেছি । কিন্তু টিটু স্যারের প্রাইভেটের খাতা কিংবা সনজিৎ স্যারের বইটি একবারও খুলে দেখা হয়নি । বইয়ের টেবিলে মাকড়সা বাসা বেঁধেছে । অথচ গেম খেলতে খেলতে মোবাইলটির বোতামের ছাল উঠে গেছে । তখন এত আফসোস হবে যে হাতের কলমটিও পরীক্ষার খাতায় চলতে চাইবে না । অবশেষে রেজাল্টের দিন মানসম্মানের ভয়ে পালিয়ে বেড়ানো ।  _ - . এখনও আফসোস করি কীভাবে আড়াই মাস পার করলাম । কিন্তু আফসোস চলে যায় যখন মনে হয় "লকডাউনে সারাদিন ঘরে বসে থেকে পড়া যায় কী?"